বড় লেখক, ছোট লেখক

2+

আমরা সাধারণ মানুষ। আমাদের সবার চিন্তাই কম বেশি সাধারণই হয়। আজকাল প্রায়ই একটা কথা খুব শুনতে পাই, সে বড় লেখক ও ছোট লেখক, কিন্তু এই বড় লেখক আর ছোটো লেখকের কনসেপ্ট আমার ঠিক মাথায় আসে না।

আচ্ছা বড় বড় কল্পনা আর চিন্তার অবয়বেই কি বড় লেখক সৃষ্ট হয়, নাকি সাধারণ চিন্তার মধ্য দিয়ে ও সুক্ষ কল্পনার অবয়বকে নিয়ে নিজের না বলা কথা গুলো কলমে বলার চেষ্টা করা? কোনটা?

আমি ভাই জানি না।

হ্যাঁ, এটা সত্য যে কবি গুরু ও আমাদের মনন, চেতন, চিন্তন কে প্রাধান্য দিয়েই বলেছেন –

আমাদের চেতনার রঙেই পান্না সবুজ গোলাপ লাল।

কিন্তু তিনি তো কখনই বড় লেখক, ছোট লেখকের ব্যবধান টানেন নি (ব্যক্তিগত অভিমত)।

সাধারণ মানুষের মধ্যেই অসাধারণত্ব লুকিয়ে থাকে। হয়তো সুপ্ত থাকে। সব আগ্নেয়গিরি থেকে লাভা নিঃসৃত হয় না।

লেখকরা ও বোধহয় তাই। আমরা কিছু মানুষ আছি যারা বিভাজনকে বড্ড ভালোবাসি। তুলনা, কর্ম কে বড্ড মনোযোগ সহকারে পালন করি। হয়তো আমারই এই বড় লেখক, ছোট লেখক বিভাজনকে অতি প্রিয়তার সাথে পালন করেছি বা করে চলেছি।

কিন্তু ভাবের কি বিভাজন হয়?

সকল ব্যক্তির ভাবনার ভান্ডার আছে। সেই ভান্ডার থেকে ভাবনার নিত্য রপ্তানি আমদানি হয়।

কিন্তু সঠিক প্রয়োগ কজন করতে পারে তার?

যারা পারে তারাই বোধহয় লেখক।

তা সে বড় লেখকই হোক আর ছোট লেখকই হোক।

লেখক তো লেখকই হয়।

তাঁরা মাপের এককে বিচার্য নয়।

প্রাচীন আলংকারিকরা যাকে বলেছেন –

“স্বয়ং প্রজাপতি ব্রহ্মা”।

রচনা – প্রিয়াঙ্কা কর্মকার

আপনার লেখা এখানে প্রকাশিত করার জন্য  নীচের বাটন-এ ক্লিক করুন

2+

Leave a Comment

error: Content is protected !!